শুরুর দিকে সুদূর গাজীপুর জেলার ভাওয়াল এলাকা হতে অভিবাসি খ্রীষ্টানদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে তৎকালীন মিশনারী ফাদারগণ চাটমোহরের লাউতিয়া গ্রামে ছোট্ট একটি স্কুল নির্মাণ করেছিলেন। ১৯৪০ খ্রীষ্টাব্দে মথুরাপুর গ্রামে ধর্মপল্লী প্রতিষ্ঠার পর লাউতিয়ার সেই ছোট্ট স্কুলটি ধর্মপল্লী আঙ্গিনায় স্থানান্তর করা হয়। সেই হিসেবে সেন্ট রীটাস্ স্কুলের প্রতিষ্ঠাকাল ধরা হয় ১৯৪০ খ্রীষ্টাব্দ।
১৯৯৪ থেকে বর্তমানে সরকারী অনুমোদনে সেন্ট রীটাস্ হাই স্কুলটি শিক্ষা সেবা প্রদান করে আসছে। এই পথ পরিক্রমায় প্রতিষ্ঠানটির হাই স্কুল শাখা ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দে পালন করে ২৫ বছরের রজত জয়ন্তী।
প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অবশ্যই অ্যাসেম্বলি শুরুর কম পক্ষে ৭ মি: পূর্বে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে হবে। ৫ মি: পূর্বে ওয়ানিং ঘন্টা বাজানো মাত্র প্রত্যেক শিক্ষার্থী নিজ নিজ লাইনে এসে দাঁড়াবে। ক্লাশ ক্যাপ্টেন এক্ষেত্রে সঠিকভাবে তার দায়িত্ব পালন করবে। অ্যাসেম্বলির চুড়ান্ত ঘন্টা বাজার সাথে সাথে গেইট বন্ধ হয়ে যাবে। অ্যাসেম্বলি চলাকালীন কেউ স্কুল গেইটে প্রবেশ করতে পারবে না। বিলম্বে আগত শিক্ষার্থীরা অ্যাসেম্বলি সমাপ্তির পর গেইট খোলা হলে ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে। তবে তারা প্রত্যেকে সরাসরি স্টেইজের সামনে এসে লাইন করে দাঁড়াবে এবং শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা শিক্ষকগণ বাস্তবতা অনুসারে অতি দ্রুততার সাথে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন। শ্রেণি শিক্ষকগণ বিলম্বে আসা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখবেন এবং পরবর্তীতে প্রয়োজনবোধে তাদের বিষয়ে প্রধান শিক্ষকের নিকট লিখিত রিপোর্ট করবেন।
শ্রেণি কক্ষে অবস্থানকালিন কোন শিক্ষার্থী আড্ডাবাজি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারবে না। কোন বিষয়ে বলার বা প্রস্তাবনা থাকলে সর্বোচ্চ ২ জন শ্রেণি শিক্ষকসহ প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলতে পারবে। প্রধান শিক্ষকের নিকট কোন বিষয়ে দলগতভাবে বা ক্লাস হিসাবে জানানোর প্রয়োজন হলে লিখিত আকারে স্বাক্ষরসহ ক্লাস ক্যাপ্টেনদ্বয় বা যেকোন ২ জন অফিসে এসে জমা দিয়ে কথা বলতে পারবে। তবে ব্যক্তিগত যে কোন বিষয়ে অফিস চলাকালিন সময়ে কথা বলতে পারবে।
অত্র বিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থী (পা থেকে মাথা পর্যন্ত) স্কুলের ড্রেস কোড ও ইউনির্ফম মেনে চলতে বাধ্য। যেকোন কারণে স্কুল ড্রেস এর বিন্দু মাত্র বরখেলাপ হলে কিংবা পালন না করলে, বছরে সর্বোচ্চ ২বার পর্যন্ত অভিভাবকের উপস্থিতিতে লিখিত অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করে সুযোগ দেয়া যেতে পারে। অঙ্গীকারনামা শ্রেণি শিক্ষক নথিভুক্ত করবেন। ৩য় বার এই নিয়ম ভঙ্গ করলে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং এক্ষেত্রে কোনরূপ সুপারিশ ও অজুহাত গ্রহন করা হবে না।
কোন শিক্ষার্থী এলার্জী বা কোন দূর্ঘটনার কারণে জুতা ব্যবহার করার ক্ষেত্রে মেডিক্যালি সুনির্দিষ্ট কোন নির্দেশনা থাকলে তা আবেদনপত্রের সাথে যুক্ত করে শ্রেণি শিক্ষকের সুপারিশ গ্রহণ করে প্রধান শিক্ষক বা তার অনুপস্থিতিতে সহকারী প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট দিনের জন্য অনুমোদন নিতে পারবে। তবে অনুমতি লাভের পর বিকল্প ব্যবহারকৃত স্যান্ডেল অবশ্যই সাদা বা মার্জিত রঙের হতে হবে।
টিফিনের শেষ ঘন্টা হলো ক্লাস কার্যক্রম শুরু করার। এজন্য কোন শিক্ষার্থী ওয়ার্নিং ঘন্টা ও টিফিনের শেষ ঘন্টার পর ওয়াশরুমে যেতে পারবে না কিংবা অন্য কোন কারণেও শ্রেণিকক্ষের বাহিরে থাকতে পারবে না। এ বিষয়’টি শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা শিক্ষকগণ, প্রত্যেক ক্লাসের শ্রেণি শিক্ষকগণ ও টিফিনের পরের ক্লাসের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকগণ আন্তরিকতার সাথে পর্যবেক্ষণ ও অনুসরনে সহায়তা প্রদান করবেন।
শিক্ষার্থীদের মানবিক, নৈতিক ও সু-শৃঙ্খল গঠন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের আদর্শ মানুষ হিসাবে গড়ে তোলা।
শিক্ষার্থীদের আপন সংষ্কৃতি ও দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ দায়িত্বশীল ও আদর্শ নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা।
শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতায় বেড়ে উঠতে সাহায্য করা।
ক্যাম্পাসের প্রতিটি দিনই নতুন অভিজ্ঞতা ও শেখার সুযোগে ভরপুর। ক্রীড়া, সংস্কৃতি, ক্লাব কার্যক্রম, বিজ্ঞান মেলা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা—সব মিলিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা একটি সুস্থ, সক্রিয় ও আনন্দময় পরিবেশে বেড়ে ওঠে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্কও অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক।
বিগত কয়েক বছরে শিক্ষা, সহপাঠ কার্যক্রম এবং শৃঙ্খলায় আমরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছি। শিক্ষার্থীদের ফলাফল এবং অংশগ্রহণই আমাদের উন্নতির প্রধান শক্তি।
আমাদের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তোলা যেন তারা জ্ঞান, চরিত্র ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
১৯৭০ খ্রীষ্টাব্দে ৬ষ্ঠ শ্রেণি খোলার মধ্য দিয়ে সেন্ট রীটাস্ বিদ্যালয়ে হাই স্কুলের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে পরবর্তী বছরগুলোতে অন্যান্য ক্লাসের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে যুক্ত হতে থাকে। সরকারী অনুমোদন না থাকায় এই বিদ্যালয় থেকে ছেলে-মেয়েরা ১৯৮০ খ্রীষ্টাব্দ থেকে নবম-দশম শ্রেণি এখানে অধ্যয়ন করে অন্য স্কুলের নামে এসএসসি পরীক্ষা লিখত।
১৯৯৪ খ্রীষ্টাব্দে ফাদার কান্তন ঐকান্তিক ইচ্ছা ও প্রচেষ্টায়, ফাদার বেঞ্জামিন কস্তা, সিস্টার মেরী অনিমা ও সেই সময়কার ব্যবস্থাপনা কমিটির সার্বিক সহযোগিতায় সেন্ট রীটাস্ স্কুলটি হাই স্কুলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করে। একই বছরে ফাদার কান্তনের উদ্যোগে মিশন চত্বর থেকে হাই স্কুলটি চাটমোহর-পাবনা প্রধান সরকের পূর্বপাশে নব নির্মিত দ্বিতল ভবনে স্থানান্তরিত হয়। এজন্য ফাদার কান্তনকে সেন্ট রীটাস্ হাই স্কুলের রূপকার বা স্থাপন কর্তা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। ১৯৯৪ থেকে বর্তমানে সরকারী অনুমোদনে সেন্ট রীটাস্ হাই স্কুলটি শিক্ষা সেবা প্রদান করে আসছে। এই পথ পরিক্রমায় প্রতিষ্ঠানটির হাই স্কুল শাখা ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দে পালন করে ২৫ বছরের রজত জয়ন্তী।
জীবন গঠনে সর্বোচ্চ শৃঙ্খলানীতি অনুসরন। মানবিক, নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ রূপে গড়ে। নিয়মিত পরীক্ষা, কুইজ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম।
শ্রেণি কক্ষে পাঠদান ও সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিতকরণে বদ্ধ পরিকর। যুগলক্ষন ও বৈশ্বিক বাস্তবতা অনুসারে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের ভিত্তি বিনির্মান।
সহায়ক ও পরিকল্পিত সহ-শিক্ষা কার্যক্রম। আন্তরিক ও নিবেদিত-প্রাণ দক্ষ ও দায়িত্বশীল শিক্ষকমণ্ডলী। আন্তরিক ও অতি দ্রুত অফিস-সেবা।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবান্ধব নিরাপদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত। শিক্ষার্থীদের অবস্থা ও সমস্যা অনুসারে সহায়ক গাইডেন্স।
সাইন্স ও আইসিটি ল্যাবে রুটির মাফিক ক্লাস। স্মার্টবোর্ড সংযুক্ত আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন ক্লাসরুম। শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারিরীক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল।
সর্বোচ্চ জবাবদিহিতা অনুসরনকারী একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মান-সম্পন্ন শিক্ষাদানে শুধু প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয়, বরং বাস্তবায়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
জীবন খুব ছোট, কিন্তু শেখার সুযোগ অসীম। প্রতিদিন একটু একটু করে শেখার মধ্যেই রয়েছে মহান ভবিষ্যতের ভিত্তি। আমরা শিক্ষার্থীদের শেখাই আত্মবিশ্বাস, নৈতিকতা এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করতে।
Quis hendrerit molestie orci ipsum ullamcorper. Ultrices eros volutpat aliquet eu diam gravida class tellus justo finibus facilisis. In taciti augue nascetur dictumst diam dapibus nam lobortis.
Quis hendrerit molestie orci ipsum ullamcorper. Ultrices eros volutpat aliquet eu diam gravida class tellus justo finibus facilisis. In taciti augue nascetur dictumst diam dapibus nam lobortis.
Quis hendrerit molestie orci ipsum ullamcorper. Ultrices eros volutpat aliquet eu diam gravida class tellus justo finibus facilisis. In taciti augue nascetur dictumst diam dapibus nam lobortis.
Quis hendrerit molestie orci ipsum ullamcorper. Ultrices eros volutpat aliquet eu diam gravida class tellus justo finibus facilisis. In taciti augue nascetur dictumst diam dapibus nam lobortis.
Quis hendrerit molestie orci ipsum ullamcorper. Ultrices eros volutpat aliquet eu diam gravida class tellus justo finibus facilisis. In taciti augue nascetur dictumst diam dapibus nam lobortis.
সময়, প্রয়োজন, পারিপার্শ্বিকতা ও ব্যক্তি এই ৪ টি কারণে যেকোন কর্ম পন্থা বদলে যেতে বাধ্য। তবে নীতি ও লক্ষ্য ঠিক রাখতে হয়।
সেভাবেই এগিয়ে যাবে অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোচ্চটুকু নিশ্চিত করা।
কর্মপথ হবে সময়, সুযোগ ও সম্পদের সঠিক ব্যবহার। এক্ষেত্রে শিক্ষক ও অভিভাবকগণ গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখবেন সেটাই আমার একান্ত প্রত্যাশা ও বিশ্বাস।
শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত স্বপ্নগুলো আমরা যদি স্পর্শ করতে পারি; আমি নিশ্চিত তাদের কাঙ্ক্ষিত দিনের ভিত্তি গড়ে দিতে আমরা তাদের সহযাত্রী হবই হব। আসুন সকল প্রতিবন্ধকতা হতে তাদের মুক্ত করতে একসাথে কাজ করে যাই। এতে তাদের ফলপ্রসূ ভবিষ্যত আমাদের ভালোবাসার চিহ্ন হয়ে কথা বলবে। সেই শুভ সময়ের প্রত্যাশায় সবার প্রতি শুভ কামনা; এগিয়ে যাক সেন্ট রীটাস হাই স্কুল।
শুভেচ্ছান্তে,
ফাদার পিউস গমেজ
প্রধান শিক্ষক
প্রতি শিক্ষাবর্ষের শুরুতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রাক-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত।
মাসিক ভিত্তিতে নগদ বা অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে।
হ্যাঁ, ক্রীড়া, বিতর্ক, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি কার্যক্রম রয়েছে।
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.
সেন্ট রীটাস্ হাই স্কুল ক্যাথলিক খ্রিস্টান চার্চ পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে প্রতিষ্ঠানটি অত্র অঞ্চলের শিক্ষার বাতিঘর হিসাবে সর্ব শ্রেণি পেশার মানুষের আস্থার জায়গা করে নিয়েছে।
Copyright © 2025 stritashighschool, All rights reserved.
Develope by Argho Rozario.